Dr. Saqi Md. Abdul Baqi
MBBS, BCS (Health), MD (Hematology)
Hematologist
Consultant, Hematology
Cumilla Medical College & Hospital
MBBS, MD (Clinical Hematology), BCS (Health)
Shahid Khawaja Nizamuddin Road, Jhautola, Cumilla
Visiting Hour: 9.30am to 5pm (Only Friday)
অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল হাসান দেশের একজন অত্যন্ত দক্ষ, খ্যাতনামা এবং উচ্চশিক্ষিত রক্তরোগ, ব্লাড ক্যান্সার ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট বিশেষজ্ঞ। তিনি সফলতার সাথে MBBS সম্পন্ন করার পর মর্যাদাপূর্ণ BCS (Health) ক্যাডারে উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে তিনি ক্লিনিক্যাল হেমাটোলজি বিষয়ের ওপর দেশের সর্বোচ্চ ডিগ্রি MD (Clinical Hematology) অর্জন করেন এবং তেহরান মেডিকেল ইউনিভার্সিটি থেকে শিশু বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্টের ওপর উচ্চতর Fellowship in Pediatric Bone Marrow Transplant সম্পন্ন করেন। দীর্ঘ ২১ বছরেরও বেশি ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতাসম্পন্ন এই গুণী চিকিৎসক বর্তমানে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল-এর হেমাটোলজি ও বিএমটি (BMT) বিভাগের একজন অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন।
তিনি মূলত আধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের ক্লিনিক্যাল পদ্ধতিতে রক্ত এবং রক্ত উৎপাদনকারী অঙ্গসমূহের জটিল সব রোগের সুচিকিৎসা দিয়ে থাকেন। ওনার বিশেষায়িত চিকিৎসার ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে—যেকোনো ধরনের তীব্র ও দীর্ঘমেয়াদী রক্তস্বল্পতা, থ্যালাসেমিয়া, রক্তপাতজনিত সমস্যা, ব্লাড ক্যান্সার (Blood Cancer), লিউকেমিয়া, লিম্ফোমা এবং রক্তরোগ (Blood Diseases) ও বোন ম্যারো ট্রান্সপ্ল্যান্ট (Bone Marrow Transplant) সংক্রান্ত যেকোনো জটিলতা। সঠিক রোগ নির্ণয় এবং উন্নত চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীদের নতুন জীবন ও সুস্থতা ফিরিয়ে আনতে তিনি বিশেষভাবে পারদর্শী।
অধ্যাপক ডা. মো. কামরুল হাসান স্যার ঢাকা এবং কুমিল্লার স্বনামধন্য হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখেন। ওনার সিরিয়াল বুকিং করার জন্য আপনি ওপরে দেওয়া নাম্বারে যোগাযোগ করতে পারেন। সপ্তাহের শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার তিনি ঢাকাতে রোগী দেখেন; যার মধ্যে বিকেল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ধানমণ্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে (কনকর্ড বিল্ডিং, ৯ম তলা, রুম: ৯০৫, রোড # ১৬, ঢাকা) উনি রোগী দেখেন। আর প্রতি শুক্রবার তিনি কুমিল্লাতে রোগী দেখেন; ওনাকে দেখাতে চাইলে সকাল ৯.৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে কুমিল্লার মুন হাসপাতালে (শহীদ খাজা নিজামুদ্দিন রোড, ঝাউতলা, কুমিল্লা) ওনার পরামর্শ নিতে পারেন।
What patients say